
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মশক নিধন অভিযান

বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার প্রতিবাদে গর্জে উঠল গোপালগঞ্জ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের দাবি, গোপালগঞ্জে মানববন্ধন
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
অনেক ভালো দিকে আগাচ্ছে
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, গ্রিল ও ফ্যান খুলে নেওয়ার অভিযোগ, ২০০ কেজি রড চুরির অভিযোগও
গোপালগঞ্জে কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা আটক
পড়তে পারেন

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, বারান্দার গ্রিল, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাহেদ তালুকদারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব যেখানে সবার, সেখানে একটি কলেজের মালামাল চুরির এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়ার ড. ইমাদুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে বিভিন্ন মালামাল খুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের দাবি, গোপালগঞ্জে মানববন্ধন
একাত্তরের বীর যোদ্ধা সায়েদ খানের চিরবিদায়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা
রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুঃ মোফাজ্জল হকের লক্ষ্মীপূজার মণ্ডব পরিদর্শন: হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাইদের খোঁজখবর নিয়ে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনারাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়, গার্ড অব অনার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়েদ খান
একাত্তরের বীর যোদ্ধা সায়েদ খানের চিরবিদায়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা
পড়তে পারেন

মহান মুক্তিযুদ্ধের এক সাহসী সন্তান, জাতির শ্রেষ্ঠ বীরদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়েদ খান আর নেই। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তাঁর মৃত্যুতে নড়াইলের নড়াগাতী থানা এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়, গার্ড অব অনার প্রদান
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়েদ খান ছিলেন তাঁদেরই একজন। তাঁর মৃত্যুতে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে হারানোর পাশাপাশি এলাকার মানুষ হারিয়েছেন একজন শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্বকে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। জানাজা শেষে তাঁকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও স্থানীয় পুলিশের একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এই বীর সন্তানকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও গার্ড অব অনার প্রদানের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে তাঁকে তাঁর নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ সময় উপস্থিত স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে আসে শোকের আবহ।
স্বজন ও গুণগ্রাহীদের রেখে চিরবিদায়
মৃত্যুকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়েদ খান স্ত্রী, কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার-পরিজনের মধ্যে গভীর শোক ও বেদনার সৃষ্টি হয়েছে।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেন। এলাকার অনেকেই তাঁর মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল এক অধ্যায়। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। সেই ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়েদ খানের মতো সাহসী সন্তানেরা।
তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মের কাছে চিরদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। একজন মুক্তিযোদ্ধার বিদায় কেবল তাঁর পরিবারের জন্য নয়, বরং পুরো সমাজ ও জাতির জন্যই এক অপূরণীয় শোকের বিষয়।
এলাকার সচেতন মহল মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়েদ খানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে এই কঠিন সময়ে তাঁদের ধৈর্য ধারণের শক্তি কামনা করেছেন।
জাতির এই বীর সন্তানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে তাঁর পরিবার, এলাকাবাসী ও দেশ। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান ইতিহাসের পাতায় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
৩১ অক্টোবর লং মার্চ ঘিরে গোপালগঞ্জবাসীকে সতর্ক করলেন জামায়াতের জেলা আমির
পড়তে পারেন

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, ৩১ অক্টোবরের এই লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে ঢাকা থেকে শুরু হয়ে ভাঙা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট ও খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে। এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর গাড়িবহর গোপালগঞ্জ জেলার মহাসড়ক ব্যবহার করে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হবে।
তিনি আরও জানান, লং মার্চ চলাকালে গোপালগঞ্জ জেলার কোথাও কোনো পথসভা কিংবা বক্তৃতার কর্মসূচি রাখা হয়নি। তাই এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো কারণ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভিডিও বার্তায় জেলা আমির অভিযোগ করেন, একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লং মার্চ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে। এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার জন্যও গোপালগঞ্জবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, গোপালগঞ্জের দীর্ঘদিনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সবাইকে ধৈর্য, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। কোনো ধরনের উসকানি বা বিভ্রান্তিকর প্রচারে প্রভাবিত না হয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি জানান, জনতার সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ লং মার্চের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে গোপালগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং কর্মসূচির সফলতায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সব মিলিয়ে ৩১ অক্টোবরের লং মার্চকে ঘিরে গোপালগঞ্জে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে জন্য রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন জেলা জামায়াতের আমির।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।





















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।