
অস্তিত্ব সংকটে বড়দিয়া বাজার, রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিলেন এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম
ভাঙনের মুখে শতবর্ষের বড়দিয়া বাজার, এমপির উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা

পাখিমারা-কচুয়াডাঙ্গায় ৬ষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল, থাকছেন বিশিষ্ট আলেম-ওলামারা
নড়াগাতীতে দারুল কুরআন মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ৬ নভেম্বর, প্রস্তুতি সম্পন্নের পথে
পড়তে পারেন

নড়াইলের নড়াগাতী থানাধীন পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের পাখিমারা-কচুয়াডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত দারুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে আগামী ৬ নভেম্বর, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬ষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইসলামী শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশায় আয়োজিত এ মাহফিলকে ঘিরে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও এলাকাবাসীর মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আয়োজিত এ মাহফিলে বাদ আসর থেকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলামী আলোচনা, নসিহত এবং ধর্মীয় বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত বিশিষ্ট আলেম-ওলামা, ইসলামী চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় আলোচকরা অংশ নিয়ে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।
পোস্টারের তথ্য অনুযায়ী, মাহফিলে সভাপতিত্ব করবেন বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন ও ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আনিসুজ্জামান শিকদার দা.বা.। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন ও ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা মুফতি খালিদ সাইফুল্লাহ দা.বা.। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন মাওলানা আঃ হালিম সাহেব, খুলনা। এ ছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাওলানা একরামুল ইসলাম সাহেব।
মাহফিলে ইসলামী জীবনব্যবস্থা, নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা। এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, নৈতিক সচেতনতা ও ধর্মীয় অনুশাসন পালনে উৎসাহ জোগাবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দারুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার এ বার্ষিক আয়োজনকে সফল করতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে মাহফিলে উপস্থিত হয়ে ওয়াজ ও ধর্মীয় আলোচনা শোনার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
মাহফিলের স্থান: দারুল কুরআন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ, পাখিমারা-কচুয়াডাঙ্গা, নড়াগাতী, নড়াইল।
তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার।
সময়: বাদ আসর থেকে।
যোগাযোগ: 01740-030874
মোঃ লিটন সিকদার ঃ 01716802230
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্বের যাত্রা, আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম
গোপালগঞ্জ ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন, এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
পরিবেশ রক্ষায় টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ, বিতরণ করা হলো ঔষধি ও ফলদ চারা
গোপালগন্জে সবুজের বার্তা, ঔষধি-ফলদ-বনজ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
সহজ শর্তে ঋণ ও চাকরির প্রলোভনে নিঃস্ব একাধিক পরিবার; জড়িত চালক সহযোগীকেও আইনের আওতায় আনার দাবি
নারী উদ্যোক্তার আড়ালে কোটি টাকার প্রতারণা
পড়তে পারেন

মোঃ রবিউল ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো
সফল নারী উদ্যোক্তার ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে চাকরি, সহজ শর্তে কোটি টাকার ঋণ ও নতুন পাকা বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মোসা: রাজিয়া বেগম নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চৌমহনী গ্রামের বাসিন্দা রাজিয়া বেগমের প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন একাধিক সাধারণ ও নিরীহ মানুষ।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত রাজিয়া বেগম চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ও সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে উপস্থাপন করতেন। পরবর্তীতে ব্যাংকিং জটিলতা ছাড়াই কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করানো কিংবা সরকারি-বেসরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতেন। ঋণের জামানত ও প্রসেসিং ফি হিসেবে তিনি ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করতেন। প্রলোভন ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে তিনি ভুক্তভোগীদের নিজের স্বাক্ষরিত ব্যাংক চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প প্রদান করতেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছাম্মদ মামুন ঝেরা রাজিয়া বেগমের কথামতো ১০ লাখ টাকা তাঁর হাতে তুলে দেন। তবে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও তিনি ঋণ বা মূল টাকা—কোনোটিই ফেরত পাননি। কোনো উপায় না পেয়ে পরবর্তীতে মামুন ঝেরা আদালতে চেক প্রতারণার মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
একই কৌশলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মোছাম্মদ জান্নাতুল নিসার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া হোসেনডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোছাম্মদ রাশিদা বেগমকে ঋণ পাইয়ে দিয়ে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। রাজিয়ার পরামর্শে রাশিদা বেগম তাঁর আগের পুরনো বাড়িটি ভেঙে ফেলেন। বর্তমানে তিনি টাকা ও বাড়ি উভয়ই হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
অভিযোগ উঠেছে, এই প্রতারণা চক্রের সাথে মোঃ আসাদুল নামে এক হাইস গাড়ি চালক সরাসরি জড়িত। রাজিয়ার সার্বক্ষণিক সহযোগী হিসেবে আসাদুল ভুক্তভোগীদের কাছে যাতায়াত করতেন এবং কৌশলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে সহায়তা করতেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত রাজিয়া বেগম ও তাঁর সহযোগী আসাদুলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা এবং কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।