
অস্তিত্ব সংকটে বড়দিয়া বাজার, রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিলেন এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম
ভাঙনের মুখে শতবর্ষের বড়দিয়া বাজার, এমপির উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা

তথ্য চাওয়াই সাংবাদিক কে হেনস্তার অভিযোগ
পড়তে পারেন

এই ঘটনা ভুক্ত ভূগি সাংবাদিক শেখ ফরিদ উদ্দিন মাসুদ গাজীপুর জেলা জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, দৈনিক ক্রাইম তালাশের গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক আজকের খবর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক মানবিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। সাংবাদিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট মহল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের যোর দাবি জানিয়েছেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
অটোমেক টু পয়েন্ট জিরো’র উদ্বোধন
প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
সাংবাদিকতার প্রবাদপুরুষ শফিউর রহমান খানের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী
পড়তে পারেন

পাবনার আঞ্চলিক সাংবাদিকতার অগ্রদূত, জেলার প্রথম দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক ইছামতী’ এবং প্রথম সাপ্তাহিক ‘পাবনা বার্তা’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক শফিউর রহমান খানের (এস. আর. খান) ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শ্রদ্ধাভরে পালিত হচ্ছে। তাঁর প্রয়াণ দিবসে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।
১৯৩১ সালের ২৩ ডিসেম্বর পাবনার বেড়া উপজেলার টাংবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শফিউর রহমান খান। শৈশবের নানাবিধ প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করেন এবং অত্যন্ত তরুণ বয়সেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হন। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি ‘দৈনিক ইত্তেহাদ’-এর ফরিদপুর প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক সংবাদ এবং দৈনিক আওয়াজ-এর মতো খ্যাতনামা জাতীয় দৈনিকে জেলা প্রতিনিধি হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেন।
আঞ্চলিক সাংবাদিকতার প্রসারে শফিউর রহমান খানের অবদান অবিস্মরণীয়। ১৯৮০ সালে তিনি প্রকাশ করেন পাবনা জেলার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘পাবনা বার্তা’। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালের জুলাইয়ে তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক ইছামতী’, যা পাবনা জেলার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে স্থান করে নেয়।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি শফিউর রহমান খান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, পাবনা জেলা শাখা এবং আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম, পাবনা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ এডিটরস ফোরামের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
'এস. আর. খান' ছদ্মনামে নিয়মিত লেখালেখি করা এই গুণী ব্যক্তিত্ব তাঁর অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে 'যমুনা সাহিত্য পুরস্কার', ১৯৯২ সালে পাবনা জেলা সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক 'ভাস্কর' উপাধি এবং ১৯৯৪ সালে 'উত্তরণ পুরস্কার'-এ ভূষিত হন।
নীতিবান, সাহসী এবং সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে সমকালীন প্রেক্ষাপটে শফিউর রহমান খান পাবনার সংবাদ জগতে এক অনুসরণীয় উদাহরণ হয়ে আছেন। তাঁর ২৫তম প্রয়াণ দিবসে পাবনার সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাফল্য
পড়তে পারেন

মামলায় রাষ্ট্রের পরাজয় হলেও যদি একজন সাধারণ নাগরিক ন্যায়বিচার পান, সেটিই একজন অ্যাটর্নি জেনারেলের জন্য সবচেয়ে বড় তৃপ্তির বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফাইমা নাসরিনের কোটচাঁদপুর সফর উপলক্ষে এ নাগরিক সভার আয়োজন করা হয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইনের শাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা। কোনো মামলায় রাষ্ট্র বা ব্যক্তি কে জয়ী হলো, সেটি মুখ্য নয়; বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বিচারব্যবস্থা যখন একজন নাগরিককে তার প্রাপ্য ও সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়, তখন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবেও তাতে অসন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ থাকে না। বরং এ ধরনের রায় দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করে।
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে একজন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সেটিই তার জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও সন্তুষ্টির বিষয়।
কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফাইমা নাসরিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনি। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।


















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।