
অস্তিত্ব সংকটে বড়দিয়া বাজার, রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিলেন এমপি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম
ভাঙনের মুখে শতবর্ষের বড়দিয়া বাজার, এমপির উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা

৮নং রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মোঃ মোফাজ্জল হক
পড়তে পারেন

আসন্ন ৮নং রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আবহ তৈরি হয়েছে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, সাবেক রাজাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির তিন বারের সভাপতি এবং সাবেক রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ মোফাজ্জল হক। তিনি বর্তমানে এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোঃ মোফাজ্জল হক সবসময় এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করে তিনি মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। প্রতিদিনই তিনি এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড, গ্রাম, হাট-বাজার ও জনবহুল স্থানে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করছেন এবং তাদের নানা সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।
এলাকার সৎ, পরিশ্রমী ও তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে রাজাবাড়ীর সাধারণ ও গরিব-দুঃখী মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। সাবেক ছাত্রনেতা মোফাজ্জল হক দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে জানান স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তারা আরও জানান, মোফাজ্জল হক সবসময় এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সম্প্রতি প্রকাশিত তার এক পোস্টারে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতৃত্বের সমর্থন তুলে ধরা হয়। পোস্টারটি এলাকার সর্বত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পজেটিভ সাড়া ফেলেছে।
স্থানীয় সাধারণ মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মোঃ মোফাজ্জল হক এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সমর্থন কামনা করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী নির্বাচনে রাজাবাড়ী ইউনিয়নের জনগণ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার সুযোগ দেবেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি বিবাদীর দখলের অভিযোগ
পড়তে পারেন

পাবনার সুজানগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ২৪ শতাংশ জমি দখল, বেড়া ও ইটের দেয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, ভবানীপুর এলাকার ওই জমি নিয়ে মোছাঃ জহুরা খাতুন বাদী হয়ে মাফুজা পারভীন (বানু) ও আব্দুল হামিদের বিরুদ্ধে পাবনা জজ আদালতে মামলা নং-০৭/২২ ও ২৩/২০২২ দায়ের করেন। মামলাগুলো চলমান থাকা অবস্থায় আদালত জমিটির ওপর ইনজাংশন/নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বলে বাদীপক্ষের দাবি।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, বিবাদীপক্ষের হয়ে মোঃ জনি আহমেদ ওরফে আহাদ আহমেদ, মোঃ রোকন প্রাং, মোঃ জাহান শেখ, মোঃ রাহাদ শেখ ও মোঃ তোফাজ হোসেনসহ কয়েকজন জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে বেড়া ও ইটের দেয়াল ভেঙে দখলের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে বাদীর স্বামী মোঃ ওয়াজেদ আলী শেখকে পাবনা জেলা সুজানগর থানার এসআই আনোয়ারের উপস্থিতিতে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে বাদীপক্ষ আরও দাবি করেছে, তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি থানার তদন্ত ওসি কে বিষয়টি অবগত করে মালার বাদী ও তার স্বামীর নিরাপত্তা চাইলে সে জানাই এলাকার ২ লাখ ৫০ হাজার লোকের নিরাপত্তা দোয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আপনি আদালতে আজ রাস্তায় নেন বলে মন্তব্য করেন। এখানে প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ তাদের।
আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন, জমির দখল রক্ষা এবং বাদীপক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন বাদীপক্ষ।
অভিযোগের বিষয়ে বিবাদী ও অভিযুক্তদের বক্তব্য চাইলেও কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
পূর্বনির্ধারিত সীমানা না মেনে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ, সিটি করপোরেশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
কাশিমপুরে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির স্থাপনা ভাঙতে এক্সকাভেটর, মালিকের বাধা
পড়তে পারেন

এ সময় তিনি তার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক কোনো স্থাপনা ভাঙা বা রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়ার দাবি জানান।জমির মালিক হেলাল মন্ডল বলেন, “রাস্তা নির্মাণের জন্য কিছুদিন আগে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল, আমরা সেটি মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন সেই সীমানা না মেনে আমার জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আজ সিটি করপোরেশনের লোকজন ভেকু নিয়ে এসে আমার জমির স্থাপনা ভাঙতে গেলে আমি বাধা দিই।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা রাস্তা নির্মাণের বিরোধিতা করছি না। এলাকার মানুষের জন্য রাস্তা প্রয়োজন হলে রাস্তা হোক। কিন্তু আমার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মাঝখান দিয়ে জোর করে রাস্তা নেওয়া যাবে না। রাস্তার জন্য জমি প্রয়োজন হলে রাস্তার দুই পাশের জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় জায়গা নেওয়া হোক।”
হেলাল মন্ডল বলেন, “আমরা কোনো ক্ষতিপূরণ চাই না। আমাদের দাবি হচ্ছে, অন্যায়ভাবে বা জোরপূর্বক আমাদের জমি রাস্তার জন্য নেওয়া যাবে না। আগে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি অনুসরণ করেই রাস্তা নির্মাণ করা হোক।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, রাস্তার জন্য আগে সীমানা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে সেই সীমানা পরিবর্তন করে কেন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা পরিষ্কার নয়।একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এলাকার উন্নয়নের জন্য রাস্তা দরকার। কিন্তু রাস্তা করতে গিয়ে একজনের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নেওয়া হলে স্বাভাবিকভাবেই বিরোধ তৈরি হবে। আগে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি অনুসরণ করা উচিত।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “রাস্তার জন্য জমি প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব। কারও জমিতে ভেকু নিয়ে গিয়ে স্থাপনা ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হলে সেটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। পূর্বনির্ধারিত সীমানা অনুসরণ না করে নতুন করে জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে এবং কার নির্দেশে নেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
জমির মালিকদের বক্তব্য, তারা রাস্তা নির্মাণের বিরোধিতা করছেন না। তবে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক ব্যবহার করে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ তারা মেনে নেবেন না। রাস্তার প্রয়োজন হলে পূর্বনির্ধারিত সীমানা অনুসরণ অথবা রাস্তার দুই পাশের জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
নড়াগাতীর কলাবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হাসান শেখের মৃত্যু
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।


















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।