
কিকবক্সিংয়ে প্রত্যাবর্তন, লক্ষ্য নিয়মিত প্রতিযোগিতায় ফেরা
প্রকৌশলী থেকে ফাইটার—দুই বছর পর কিকবক্সিং রিংয়ে কালিয়ার ফাহাদ আহমেদ

গোপালগঞ্জের কনসার্টে ‘শেখ হাসিনা’ স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার
পড়তে পারেন

মোঃ লিটন সিকদারগোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে আয়োজিত একটি কনসার্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আয়োজক হাফিজুর রহমান পিয়ালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কনসার্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে এফএনএফ কনভেনশন হল অ্যান্ড পার্টি সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান পিয়াল নিজেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নোবেলের গান পরিবেশনের আগে কনসার্টস্থলে উপস্থিত কয়েকজন দর্শক শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দেন। বিষয়টি নজরে আসার পর পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে তৎপর হয়। পরে ওই রাতেই কনসার্টের আয়োজক হাফিজুর রহমান পিয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর আয়োজককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর হাফিজুর রহমান পিয়ালকে আদালতে পাঠানো হলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।কনসার্টে স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় উপস্থিত দর্শক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে স্লোগানদাতাদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
পড়তে পারেন

মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
মোঃ লিটন সিকদার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার বাগুডাঙ্গা গ্রামের যুবক জনি (৩০) কাজের আশায় বিদেশে গিয়ে মানবপাচারকারী চক্রের হাতে পড়ে প্রায় চার মাস ধরে থাইল্যান্ডে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতের আঁধারে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে তাকে ফেলে রেখে যায় দালালচক্র—এমন অভিযোগ করেছেন জনি।
দীর্ঘ দুর্ভোগের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতা এবং স্থানীয় কয়েকজনের আর্থিক সহায়তায় গত ৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেছেন তিনি। তবে দেশে ফিরলেও নির্যাতনের শারীরিক ক্ষত ও অসুস্থতার পাশাপাশি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন জনি। বর্তমানে চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন তার।
জনির বাবা ফোরকান খা জানান, কাজ দেওয়ার কথা বলে প্রথমে তার ছেলেকে টেকনাফে নেওয়া হয়। সেখানে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়ার পর মাছ ধরার নৌকায় করে তাকে থাইল্যান্ডে পাচার করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় জনির ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ পরিবারের।
জনির পরিবারের দাবি, প্রায় চার মাস থাইল্যান্ডে থাকার পর তাকে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানেও তিনি নির্যাতনের শিকার হন এবং একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের বুকিত মেরতাজাম এলাকায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
জনিকে দেশে ফেরাতে সহযোগিতা করা আরিফুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গত ৩১ আগস্ট জনির অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তিনি সরাসরি বুকিত মেরতাজামে গিয়ে জনির সঙ্গে দেখা করেন। পরে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জনিকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বাংলাদেশ থেকে টেকনাফ হয়ে থাইল্যান্ড এবং পরে মালয়েশিয়ায় জনিকে পাচারের ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মানবপাচারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরলেও জনির দুর্ভোগ এখনও শেষ হয়নি। বর্তমানে তার প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মানবিক সহায়তা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো
পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দীর্ঘদিনের অন্ধকারের অবসান পৌর প্রশাসক শিবু দাশের উদ্যোগে জ্বললো আলো
পড়তে পারেন

মো: রবিউল ইসলাম,রাজশাহী ব্যুরো।
দীর্ঘদিনের অন্ধকার দূর করে অবশেষে আলোর আলোয় উদ্ভাসিত হলো পুঠিয়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান। দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় রাতে চলাচলাসহ ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনায় স্থানীয়দের তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হতো। সম্প্রতি পুঠিয়া পৌরসভার প্রশাসক শিবু দাশের বিশেষ উদ্যোগে মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে লাইট স্থাপন করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ এ মহাশ্মশানে দীর্ঘদিন আলোর কোনো সঠিক ব্যবস্থা ছিল না। ফলে রাতের বেলায় এখানে নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শঙ্কা থাকত এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন পুণ্যার্থীরা। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে আলোকায়নের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
বিষয়টি নজরে আসার পর পুঠিয়া পৌরসভার প্রশাসক শিবু দাশ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং দ্রুততম সময়ে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। আলো বাস্তবায়নের পর এখন শ্মশান প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারবান্ধব হয়ে উঠেছে।
এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের অন্ধকারে এখানে আসার ভয় কেটে গেছে। আলোর সুব্যবস্থা হওয়ায় এখন নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক শিবু দাশ বলেন, "জনসাধারণ ও পুণ্যার্থীদের সুনির্দিষ্ট দাবির প্রতি সম্মান জানিয়েই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি। ধর্মীয় ও সামাজিক স্থানগুলোর সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো নাগরিক সমস্যা সমাধানে পৌর প্রশাসন সবসময় সচেষ্ট থাকবে।"
পুঠিয়ার সর্বস্তরের মানুষ এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং পৌরসভার উন্নয়ন ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আকরাম হোসাইন
শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আকরাম হোসাইন
পড়তে পারেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন রাজাবাড়ী ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মো. আকরাম হোসাইন। গত ১ সেপ্টেম্বর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সেলিম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম সজীব স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তার মনোনয়নের বিষয়টি জানানো হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আকরাম হোসাইন এর আগে শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিবেচনায় তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানান তারা।
এদিকে আকরাম হোসাইনের মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজাবাড়ী ও রাজেন্দ্রপুর এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তবে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর মধ্যে অসন্তোষের কথাও জানা গেছে।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে মো. আকরাম হোসাইন বলেন, “দলীয় নেতৃত্বের আস্থার প্রতিদান দিতে আমি সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনবান্ধব করতে কাজ করব।”
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।


















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।