
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিদ্যুৎ বিভাগ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিদ্যুৎ বিভাগ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভা

মির্জা ফখরুল ও হাসান জাফির তুহিন
দীর্ঘ দুই দশকের রাজনৈতিক সখ্য ও আস্থার গল্প
পড়তে পারেন

তৃণমূল থেকে উঠে আসা ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থাকাকালীন সময় থেকেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংস্পর্শে আসেন কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তৎকালীন সময় থেকেই বিএনপির এই সিনিয়র নেতার আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন তিনি। রাজপথের তীব্র আন্দোলন-সংগ্রামে তুহিনের ত্যাগ ও সাহসিকতা সবসময়ই নজর কেড়েছে সাবেক এই বিএনপি মহাসচিবের।
রাজনীতির কঠিন অগ্নিপরীক্ষায় একাধিকবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন রাজপথের এই লড়াকু সৈনিক। ২০১৮ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের রোষানলে পড়ে গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মৃত্যুশয্যায় ঢলে পড়েছিলেন তুহিন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে যখন তিনি লড়ছিলেন, তখন রাজধানীতে তাকে প্রথম দেখতে ছুটে গিয়েছিলেন খোদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুলের সেই উপস্থিতি ও সহানুভূতি তুহিনকে রাজপথে আরও বেশি সাহসী ও আপসহীন হতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
শুধু কঠিন সময়ে পাশেই দাঁড়ানো নয়, সংগঠক হিসেবে হাসান জাফির তুহিনের মেধা ও দক্ষতাকে সবসময় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের জাতীয় সম্মেলনের পর যখন নানা প্রতিকূলতা ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তা মোকাবিলা করেন তিনি। গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনের সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংঘাত ঠেকিয়ে দিয়ে দ্রুত কৃষকদলের কমিটি বাস্তবায়নে মূল কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করেন তিনি।
সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে এবং কৃষকদলের সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তরুণ ও ত্যাগী নেতা কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনকে মনোনীত করার জন্য বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি ও সুদৃঢ় সুপারিশ উপস্থাপন করেছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরবর্তীতে তাঁর মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করে তাকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে সচিব পদমর্যাদায় দায়িত্ব প্রদান করা হয়, যা তার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতারই বহিঃপ্রকাশ।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, রাজপথের ত্যাগী ও মেধাবী নেতা হিসেবে হাসান জাফির তুহিনের যে পরিচিতি এবং বিএমডিএ-র মতো সংস্থায় সচিব পদমর্যাদায় সফল নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা, তার পেছনে যেমন রয়েছে তার নিজস্ব সততা, তেমনি রয়েছে অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সার্বক্ষণিক স্নেহচ্ছায়ায় গড়ে ওঠা রাজনৈতিক ভিত্তি। দুই প্রজন্মের এই দুই নেতার দীর্ঘ পথচলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
আল্লামা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ
পড়তে পারেন

প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, মুফাসসিরে কোরআন ও সাবেক সংসদ সদস্য আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় তিনি কোরআনের তাফসির ও ইসলামী চিন্তাধারা প্রচারে ভূমিকা রাখেন। তার প্রাঞ্জল বক্তব্য ও সুললিত কণ্ঠে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত তাফসির মাহফিলে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হতো। তিনি বিশ্বের ৫২টি দেশে সফর করে ইসলামের বাণী প্রচার করেছেন বলে জানা যায়।
১৯৪০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুরের জিয়ানগরের সাঈদখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৪ সালে মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনের পর গবেষণা ও দাওয়াতি কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ৭৭টির বেশি বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়।
১৯৭৯ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে পরবর্তীতে নায়েবে আমিরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পিরোজপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০১০ সালে গ্রেপ্তারের পর ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার হয় এবং ২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও আপিলে তা আমৃত্যু কারাদণ্ডে পরিবর্তিত হয়।
তার মৃত্যু ও চিকিৎসা নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়। মৃত্যুর পর বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজও তার বই, তাফসির ও বক্তব্য অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
মানবিক গুণাবলির অনন্য দৃষ্টান্ত অ্যাডভোকেট আজিজুল হাকিমের জন্মদিন আজ
মানবিক গুণাবলির অনন্য দৃষ্টান্ত অ্যাডভোকেট আজিজুল হাকিমের জন্মদিন আজ
পড়তে পারেন

নম্রতা, ভদ্রতা ও মানবিক গুণাবলির জন্য পরিচিত শ্রীপুর উপজেলার সাটিয়াবাড়ী এলাকার জমির আলীর পুত্র অ্যাডভোকেট আজিজুল হাকিমের জন্মদিন আজ। পরিবার, স্বজন, বন্ধু-সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করে পোস্ট দিয়েছেন অনেকে।
জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে অ্যাডভোকেট আজিজুল হাকিম সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া জীবনের বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা, এই জন্মদিন মানুষের কল্যাণে কাজ করার নতুন প্রেরণা হয়ে উঠুক।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে
পড়তে পারেন

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন সংকট তৈরি হয়। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।
বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি জানান, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে এলএনজি কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চালু রয়েছে। পুরো সক্ষমতায় নিতে হলে টার্মিনালটি আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হবে। ফলে কোন সময়ে এটি বন্ধ রাখলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি তুলনামূলক কম হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে আলোচনা চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুধবার দুপুরেও প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
চলমান সংকটের কারণে মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। এ জন্য সরকার জনগণের কাছে বারবার দুঃখ প্রকাশ করছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি স্বাভাবিক হলে এলএনজি খালাস করা সম্ভব হবে। তখন গ্যাসের সরবরাহও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
গ্যাস সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎসের সন্ধান করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলও সেখানে গেছে। দেশটির দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। সেখান থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এটি সংকট মোকাবিলায় একটি মধ্যমেয়াদি সমাধান হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়েই সরকার কাজ করছে। ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি রাখা হচ্ছে না।
বর্তমান সংকটের জন্য আগের সরকারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতিকেও দায়ী করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার ভাষ্য, বিগত সরকারগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বদলে তাৎক্ষণিকভাবে সংকট মোকাবিলার দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে একপর্যায়ে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার গ্রীষ্মকালেই সেই সংকট দেখা দিয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।



















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।