
এসআরবি-০৬ অভিযানে গ্রেফতার প্রধান আসামি, সঙ্গে আটক ভাই
নড়াগাতীতে পুলিশের ওপর হামলা করে হ্যান্ডকাফসহ পালানো আসামি গ্রেফতার

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাফল্য
পড়তে পারেন

মামলায় রাষ্ট্রের পরাজয় হলেও যদি একজন সাধারণ নাগরিক ন্যায়বিচার পান, সেটিই একজন অ্যাটর্নি জেনারেলের জন্য সবচেয়ে বড় তৃপ্তির বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফাইমা নাসরিনের কোটচাঁদপুর সফর উপলক্ষে এ নাগরিক সভার আয়োজন করা হয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইনের শাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা। কোনো মামলায় রাষ্ট্র বা ব্যক্তি কে জয়ী হলো, সেটি মুখ্য নয়; বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বিচারব্যবস্থা যখন একজন নাগরিককে তার প্রাপ্য ও সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়, তখন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবেও তাতে অসন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ থাকে না। বরং এ ধরনের রায় দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করে।
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে একজন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সেটিই তার জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও সন্তুষ্টির বিষয়।
কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফাইমা নাসরিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনি। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
সাংবাদিককে হুমকি
বাল্যবিবাহ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর প্রাণনাশের আশঙ্কা
পড়তে পারেন

অভিযোগ অনুযায়ী, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত ধোপাডাঙ্গা গ্রামের শহীদ মিয়ার কন্যা সুমাইয়া আক্তার, যিনি ধোপাডাঙ্গা আকন্দপাড়া দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী, তার সঙ্গে একই ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার মৃত বেলাল মিয়ার ছেলে মো. নিশাত মিয়ার বিয়ের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কনের বয়স আইনগত সীমার নিচে হওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর 'জুলাই যোদ্ধা' পরিচয়ধারী রাশেদুজ্জামান আশিক তার প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় এক ইমামের মাধ্যমে বিয়ে পড়ানোর ব্যবস্থা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বিবাদীপক্ষ সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সাংবাদিকের দাবি, সংবাদ প্রকাশের কারণে তাকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।


















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।