
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার প্রতিবাদে গর্জে উঠল গোপালগঞ্জ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের দাবি, গোপালগঞ্জে মানববন্ধন

রাজাবাড়ীতে জমকালো আয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন
রাজাবাড়ীতে জমকালো আয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন
পড়তে পারেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নে স্থানীয় যুবসমাজ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'ডোয়াইবাড়ী স্পোর্টিং ক্লাব'-এর সার্বিক সহযোগিতায় স্থানীয় মাঠে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জনাব মো: শরীফুজ্জামান শাহানুর-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক জনাব ডা: মো: গোলাম মোর্শেদ মুরাদ। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জনাব শাহাব উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ (বরেণ্য) অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মো: আলমগীর হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব মো: রেজাউল করীম এবং ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মো: শাহ আলম।
গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও ডোয়াইবাড়ী মধ্যপাড়া স. প্রা. বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব মো: সাজেদুল ইসলাম (মিথুন)-এর সফল সঞ্চালনায় খেলা দেখতে স্থানীয় শত শত ক্রীড়ামোদী দর্শক মাঠে ভিড় জমান। আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে এবং সুস্থ বিনোদনের অংশ হিসেবেই এই নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
মৎস্য ব্যবস্থাপনায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন নূর আলম জিকু
পড়তে পারেন

নড়াইলের কালিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে মৎস্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন মোঃ নূর আলম জিকু।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য— “জলাশয় মৎস্যে সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। এ উপলক্ষে কালিয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে মৎস্য খাতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সীতারামপুর, কালিয়া পৌরসভার বাসিন্দা মোঃ নূর আলম জিকুকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোঃ নূর আলম জিকুর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন কালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম ও কালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাস।
মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের স্বীকৃতি মৎস্য চাষি ও মৎস্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আরও উৎসাহিত করবে।
সম্মাননা পেয়ে মোঃ নূর আলম জিকু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও মৎস্য খাতের উন্নয়ন ও মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
কালিয়ায় ভাইয়ের মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সম্মেলন
পড়তে পারেন

নড়াইলের কালিয়ায় আপন ভাই মোতালেব হোসেন মোল্যার করা বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার অপর ৫ ভাই এনায়েত মোল্যা, মোতাহের মোল্যা, মোকাদ্দেস মোল্যা, হেমায়েত মোল্যা ও বেলায়েত মোল্যা।
১৮ আগষ্ট (মঙ্গলবার) সকাল ১০ টায় বাবরা হাচলা ইউনিয়নের শুক্তগ্রাম বাজার বিএনপি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলনে মোতালেব হোসেনের বক্তব্যকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর দাবি
করেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে এনায়েত মোল্যা বলেন, পারিবারিক জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে মোতালেব বিভিন্ন সময় হয়রানি ও এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করছেন। এ বিরোধের সঙ্গে জাতীয় সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও স্থানীয় ব্যক্তিদের জড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি আরও বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে মোতালেব হোসেনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি এলাকাবাসীর কাছে মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান এবং পারিবারিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান কামনা করেন এনায়েত মোল্যা ও তার অপর চার ভাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ০৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মরফুদ খান, আজাদ হুসাইন, মোহসীন শেখ, মিরাজ খান ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিসহ আরো অনেকে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে ডাঃ মোতালেব হোসেনের মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
উপজেলা পরিষদের জমির ওপর আদালতের দাবি
শাহজাদপুরে আদালত-প্রশাসনের পাল্টাপাল্টি আইনি লড়াই
পড়তে পারেন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় ১৫ বিঘা সরকারি সম্পত্তি ও উপজেলা পরিষদের জমি নিয়ে বিচার বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। একটি সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই টানাপোড়েন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বিচার বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, ২০১৩ সালে শাহজাদপুর চৌকি আদালতের সেরেস্তাদার বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০২৬ সালে এসে সেই মামলার আরজি সংশোধন করে উপজেলা পরিষদের প্রায় ৭ একর জায়গা নিজেদের বলে দাবি করে আদালত কর্তৃপক্ষ এবং সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
এই জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় উপজেলা পরিষদের বিশেষ সভা ও জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়, উপজেলা পরিষদের আনুষ্ঠানিক 'ক্লিয়ারেন্স' না পাওয়া পর্যন্ত প্রাচীর নির্মাণের কাজ স্থগিত থাকবে।
সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গত ২১ জুন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয় উপজেলা প্রশাসন।
মূল জটিলতার শুরু এরপরই। উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া ওই সরকারি চিঠিটিকেই আদালতের আদেশ অমান্য বা 'নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ' হিসেবে গণ্য করে ইউএনওর বিরুদ্ধে ভায়োলেশন মামলা করা হয়।
তবে নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার আবেদন ও আদেশ দুটোই দেওয়া হয়েছিল ২৪ মে, একই দিনে কোনো শুনানি ছাড়াই। আদালত থেকে এই নিষেধাজ্ঞার নোটিশ, আরজি ও আদেশের অনুলিপি উপজেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছায় অনেক পরে, ৩০ জুন।
প্রশাসনের প্রশ্ন, যে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জানতই ৩০ জুন, সেই আদেশের আগে দেওয়া ২১ জুনের একটি সাধারণ সরকারি চিঠিকে কীভাবে 'আদালত অবমাননা' বলা হলো?
এছাড়া বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে, গত ২৬ জুলাই ইউএনওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশের কপি ইউএনও কার্যালয়ে পৌঁছানোর আগেই তা গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এর বিরুদ্ধে ইউএনওর পক্ষ থেকে জেলা জজ আদালতে 'সিভিল রিভিশন' দায়ের করা হলে ১৩ আগস্ট তার শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার স্বার্থে গত ২৯ জুলাই জেলা ও দায়রা জজের আদেশে মূল মামলা ও ভায়োলেশন মামলাটি শাহজাদপুর থেকে সরিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর আদালতে স্থানান্তর করা হয়। তবে ৬ আগস্ট নতুন আদালতে শুনানিতে ইউএনওর সকল আবেদন নামঞ্জুর করে তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। আজ ১৩ আগস্ট মামলার একতরফা সাক্ষ্য গ্রহণ ও চূড়ান্ত আদেশের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
একটি সরকারি জমির মালিকানা ও আইনি প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যকার এই নজিরবিহীন পাল্টাপাল্টি অবস্থান পুরো জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে শাহজাদপুরে আদালত ও উপজেলা পরিষদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
একটি মহল সরকারের প্রশাসন ও বিচার বিভাগের মধ্যে চরম দ্বন্দ্ব বাঁধিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।



















































অনেক ভালো দিকে আগাচ্ছে