
কুষ্টিয়ার পদ্মানগরে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
কুষ্টিয়ার পদ্মানগরে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

Lucky 777 Lottery’-এর বিরুদ্ধে ৮৬ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
পড়তে পারেন

‘Lucky 777 Lottery’ নামের একটি অনলাইন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লটারি ও বিপুল অর্থ জেতার প্রলোভন দেখিয়ে ৮৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য ও হাতে লেখা তালিকায় অর্থ লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে নিম্নলিখিত নম্বর ও নামগুলো:
১. ০১৯৮৬-৪০০৯৯৩ — জয়নাল হাওলাদার
২. ০১৯১০-১৫৬৬৮৫ — রিফাত হোসাইন রিদয়
৩. ০১৩৫২-৯১২৭৬৪ — নাদিরা আক্তার
৪. ০১৩৫১-৪২৭৫৬২--মনি আক্তার
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব নম্বর ও নামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তবে তালিকায় উল্লিখিত ব্যক্তিদের পরিচয়, নম্বরগুলোর মালিকানা এবং অর্থ গ্রহণের সঙ্গে তাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন ও অনলাইন অ্যাকাউন্টের পরিচয় তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
লক্ষ লক্ষ পরিবার অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে জীবন নষ্ট করছে, দিনের পর দিন সবাই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
সতর্কবার্তা: অনলাইন লটারি ও পুরস্কারের প্রলোভনে অপরিচিত নম্বরে টাকা পাঠানোর আগে সতর্ক থাকুন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অভিযান, দুই বাড়ি থেকে মিলল ২০০ পিস ইয়াবা
গভীর রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে,নড়াগাতীতে ২০০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ২
পড়তে পারেন

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে, প্রায় সাড়ে ৩টার দিকে দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামে তাঁদের নিজ নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় নড়াগাতী থানা পুলিশ। এ সময় পৃথক দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর ঘটনাস্থল থেকেই ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।
আটক আশিক শেখ দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামের বালা শেখের ছেলে। অপর আটক ব্যক্তি অহিদুল ইসলাম শেখ একই গ্রামের নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গভীর রাতে পুলিশের এমন অভিযানে এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তির বাড়ি থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় বক্তব্য গ্রহণসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হবে।
এদিকে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে এলাকার তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
গোপালগঞ্জে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা আমার
গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, গ্রেপ্তার ৭
পড়তে পারেন

রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আহত পুলিশ পরিদর্শক মো. ফুল মিয়া বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পরপরই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার সন্ধ্যায় তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় আসেন। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত টহল পুলিশের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি পুলিশের পিকআপ ভ্যানেও ভাঙচুর করা হয়।
হঠাৎ এ হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ দুই সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে পুলিশ পরিদর্শক মো. ফুল মিয়াও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের এবং সাতজনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
পড়তে পারেন

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম জহিরুল ইসলাম। গাজীপুরের আদালতে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলায় তাঁকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে হয়রানি বন্ধ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জহিরুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, ২৫১২/২৬ নম্বর মামলায় শাহনাজ নামের এক ব্যক্তি তাঁকে প্রধান আসামি করেছেন। তবে মামলায় উল্লেখ করা ঘটনার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকেসহ হুমায়ূন রশিদ, জসিম উদ্দিন ও ইসমাইল হোসেনকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
জহিরুল ইসলাম জানান, এর আগে শ্রীপুরের তালতলী এলাকার জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তিনি সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ওই সংবাদ প্রকাশের পর আইন উদ্দিন ও তাঁর ছেলে আলমাছ উদ্দিন তাঁকে হয়রানির হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি শ্রীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আইন উদ্দিনের মেয়ে শাহনাজের করা মামলায় তাঁকে আসামি করা হয় বলে জানান তিনি।
তাঁর আরও দাবি, মামলায় উল্লেখ করা কথিত ঘটনার বিষয়ে আগে শ্রীপুর থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছিল।
লিখিত বক্তব্যে জহিরুল ইসলাম বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে হয়রানি করা হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক। তবে তিনি কাউকে আগাম অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে চান না। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে মামলার নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
তিনি নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা আছে কি না তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই এবং হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ অনুসন্ধানের দাবি জানান। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা বা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গাজীপুর ও শ্রীপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন জহিরুল ইসলাম।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।























































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।