
বিস্ফোরক লাইসেন্স নবায়ন না করে অতিরিক্ত সিলিন্ডার মজুতের অভিযোগ
গোপালগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার ডিলারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

রংপুরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ১৯ দলীয় ঐক্যজোটের বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ
রংপুরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ১৯ দলীয় ঐক্যজোটের বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ
পড়তে পারেন

গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪,
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত জনতা একটি বড় ব্যানারে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন। ব্যানারের প্রধান অংশে বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘লুটে মার্চ’, এবং তার পাশেই লেখা ছিল ‘ঢাকা টু রংপুর’। বাম দিকের অংশে তাদের মূল দাবিগুলো ১০টি পয়েন্টে বিস্তারিতভাবে দেওয়া ছিল। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল:গণভোটের মাধ্যমে দ্রুত জাতীয় সরকার গঠন দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং সহজলভ্য করা।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধান।গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বেসরকারিকরণ বন্ধ।বিক্ষোভ মিছিলে জনমনে চরম অসন্তোষের প্রতিফলন ঘটে। অংশগ্রহণকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান এবং তাদের দাবি আদায়ের স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন সমাবেশস্থল। সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা সরকারের সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান শাসনব্যবস্থার কারণে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চরম সংকটে পতিত হয়েছে এবং জনগণ মানবেতর জীবনযাপন করছে।
নেতাকর্মীরা দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তাদের মতে, বর্তমান সরকারের ভুল অর্থনৈতিক নীতি এবং দুর্নীতির কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ১০ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। তারা জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে এবং দেশের বর্তমান সংকট দূর করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও পুলিশী প্রহরা ছিল জোরদার।
বিক্ষোভ মিছিলে রাজারবাড়ী ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ১৯ দলীয় ঐক্যজোটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় মানুষের সমর্থনও এই আন্দোলনে পরিলক্ষিত হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
বিএসএফের হাতে আটক ৫ বাংলাদেশি বিজিবির সহায়তায় দেশে ফেরত
পড়তে পারেন

রাজশাহী ব্যুরো চীফ
রাজশাহীর বাঘা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কর্তৃক আটক ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ০৫ টা থেকে সোয়া ০৬ টা পর্যন্ত রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ আলাইপুর কোম্পানির মীরগঞ্জ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৮/৪-এস সংলগ্ন শূন্যরেখায় (ভারতীয় অংশে) বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফের খাসমহল কোম্পানি কমান্ডার তাদের হেফাজতে থাকা ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির আলাইপুর কোম্পানি কমান্ডারের নিকট হস্তান্তর করেন।
ফেরত আনা বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন— বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের আলাইপুর মধ্যপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে কলেজছাত্র মোশাররফ হোসেন (২৬), ইয়ানজের ছেলে সাহাবুল আলী (৪০), শাহাজাহান প্রামাণিকের ছেলে বাবর আলী (৪০), সামাদ মণ্ডলের ছেলে নৌকার মাঝি সাইফুল ইসলাম (৪৬) এবং জামাল মণ্ডলের ছেলে নৌকার মাঝি আশাদুল ইসলাম (৩৮)। তাদের মধ্যে ৩ জন পাট ব্যবসায়ী এবং ২ জন নৌকার মাঝি-মাল্লা।
বিজিবির হেফাজতে ফেরত আনার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে পাট কিনে নৌকাযোগে বাড়ি ফেরার সময় নদীর স্রোতে পথ ভুল করে তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফ তাদের আটক করে নিয়ে যায়। এরপর ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর তাদেরকে জলঙ্গী বিএসএফ ক্যাম্পে রাখা হয়। পরবর্তীতে ৯ সেপ্টেম্বর তাদের সাগরপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে প্রায় ৪/৫ ঘণ্টা রাখার পর একই দিনে ভারতের রানীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে রানীনগর থানা তাদের রানীনগর হোল্ডিং সেন্টারে রাখে। বর্তমানে তারা শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।
পরবর্তীতে বিজিবি ৫ জনের ঠিকানা যাচাই বাছাই করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ওয়ার্ড কমিশনারের উপস্থিতিতে সন্ধ্যা ০৭টার দিকে তাদের নিজ নিজ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে। এ সময় রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবু সাঈদ চাঁদ স্থানীয় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আলাইপুর খেয়াঘাটে উপস্থিত হন। তিনি ফেরত আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং সীমান্তে বিজিবির কার্যক্রমের প্রশংসা করে বিজিবিকে ধন্যবাদ জানান।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
দি পাটনা একাডেমীর অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা
শিক্ষাঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা, দি পাটনা একাডেমীর অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা
পড়তে পারেন

মোঃ লিটন সিকদারনড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পাটনা এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে দি পাটনা একাডেমীর অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় দি পাটনা একাডেমীর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ও সংশ্লিষ্টদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বড়দিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি আসজাদুর রহমান মিঠু।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াগাতী থানা বিএনপির সভাপতি খান মতিয়ার রহমান, দি পাটনা একাডেমীর সাবেক প্রধান শিক্ষক মোল্যা শাহাদাৎ হোসেন, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহের সাব-রেজিস্ট্রার মো. রিপন মুন্সি, মুন্সী মানিক মিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোল্যা সাখায়েত হোসেন, ৬ নম্বর খাশিয়াল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস নওশের আলী, দি পাটনা একাডেমীর সাবেক সভাপতি ও ৭ নম্বর জয় নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খান আবুল হোসেন এবং খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি. এম. বরকত উল্লাহ।এছাড়া অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নতুন অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
ডিবি প্রধানের দায়িত্বে এবার অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম
পাবনা জেলার ডিবি প্রধানের দায়িত্বে এবার অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম
পড়তে পারেন

পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন বিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ পদায়নের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।
নবনিযুক্ত ডিবির ওসি আব্দুস ছালাম এর আগে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগেও তিনি জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত ছিলেন। ফলে পাবনা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধীদের ধরণ এবং ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে তাঁর গভীর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বিশেষ করে ৫ই আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পরবর্তী উত্তাল ও সংবেদনশীল সময়ে তিনি পেশাদারিত্ব ও চরম বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। সেই সংকটময় দিনগুলোতে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি সহনশীল রাখেন। কোনো প্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা ঘটতে না দিয়ে নিজের নিষ্ঠা ও বিচক্ষণতা দিয়ে অশান্ত পাবনাকে শান্ত করতে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় আব্দুস ছালাম জানান, পাবনা জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস, চাদাবাজ ও সব ধরনের অপরাধমুক্ত রাখতে ডিবি পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করবে। অপরাধ দমনে এবং জেলার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সাংবাদিক, সাধারণ জনগণ ও সুশীল সমাজের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
অফিসার ইনচার্জ হিসেবে আব্দুস ছালামের এই নতুন পদায়নকে স্বাগত জানিয়েছে পাবনার সুশীল সমাজ, সংবাদকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। নতুন দায়িত্বে তিনি পাবনা ডিবির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।



















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।