বরেন্দ্র অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে গভীর নলকূপ পরিচালনা এবং পানির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।আজ (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার আগারগাঁওয়ে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অডিটোরিয়ামে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত রয়েছেন বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিএমডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।কর্মশালায় বরেন্দ্র অঞ্চলে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে গভীর নলকূপ পরিচালনা, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো এবং কৃষিতে পানির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থাকে আরও টেকসই ও পরিবেশবান্ধব করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুঃ মোফাজ্জল হক শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ও লক্ষ্মীপূজার মণ্ডব পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপে উপস্থিত হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সাথে আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন, তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পূজার আনন্দময় পরিবেশে সকলের মঙ্গল কামনা করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এদেশের সম্প্রদায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে আমরা সবাই মিলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাইদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। স্থানীয় পূজা কমিটির সদস্যরা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তারা চেয়ারম্যান প্রার্থী মুঃ মোফাজ্জল হকের এমন সম্প্রীতি-বন্ধনমূলক পদক্ষেপকে স্বাগত জানান এবং তার সাফল্য কামনা করেন। উল্লেখ্য, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং নির্বাচনী প্রচারণার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে ব্যাপক জনসংযোগ গড়ে তুলছেন।
ডেঙ্গু আতঙ্ক দূর করতে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে "ডেঙ্গুর ভয় নয়, সচেতনতাই জয়" শীর্ষক এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি-২০২৬ পালন করেছে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লিঃ। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও কর্মীরা প্লান্ট প্রাঙ্গণে সমবেত হয়ে ব্যানার প্রদর্শন করেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে পানি জমে থাকতে না দেওয়া, ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটির এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লিঃ-এর সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান সাঈদ চৌধুরী বলেন, "আমরা যেকোনো ইতিবাচক পদক্ষেপই আমাদের শ্রমিক ও স্থানীয় কমিউনিটির সার্বিক কল্যাণের কথা মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করি। আমরা সবাই একযোগে কাজ করলে যেকোনো কঠিন কাজই সহজ হয়ে যায়।" মেম্বারবাড়ি বাজারে সর্বসাধারণের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণকালে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশনস প্রধান মাশরাকুল হক চৌধুরী বলেন, "আমাদের এই উদ্যোগকে কেবল প্রচারণার দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে হৃদয় থেকে অনুভব করতে হবে। মানুষের জীবনের মূল্য বুঝতে হবে এবং নিজ দায়িত্বেই চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।" উক্ত কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. সিয়াম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রধান দেওয়ান নুরুজ্জামান এবং প্রোডাকশন প্রধান আব্দুর রহিমসহ আরও অনেকে। পুরো আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এইচআর প্রধান একরামুল হক এবং গ্রুপ এইচআর প্রধান বনি আমীন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরণের সামাজিক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সচেতনতা তৈরি করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তির বাড়ি থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশিক শেখ (৪০) ও অহিদুল ইসলাম শেখ (২৪) নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে, প্রায় সাড়ে ৩টার দিকে দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামে তাঁদের নিজ নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় নড়াগাতী থানা পুলিশ। এ সময় পৃথক দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর ঘটনাস্থল থেকেই ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।
আটক আশিক শেখ দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামের বালা শেখের ছেলে। অপর আটক ব্যক্তি অহিদুল ইসলাম শেখ একই গ্রামের নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গভীর রাতে পুলিশের এমন অভিযানে এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তির বাড়ি থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় বক্তব্য গ্রহণসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে এলাকার তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা এবং টহলরত পুলিশের পিকআপ ভাঙচুরের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আহত পুলিশ পরিদর্শক মো. ফুল মিয়া বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পরপরই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার সন্ধ্যায় তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় আসেন। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত টহল পুলিশের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি পুলিশের পিকআপ ভ্যানেও ভাঙচুর করা হয়। হঠাৎ এ হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ দুই সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে পুলিশ পরিদর্শক মো. ফুল মিয়াও রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের এবং সাতজনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সাইটের কার্যকারিতা, পরিসংখ্যান ও প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপনের জন্য আমরা কুকি ব্যবহার করি। আপনি সব কুকি গ্রহণ, ঐচ্ছিক কুকি প্রত্যাখ্যান অথবা পছন্দ নির্ধারণ করতে পারেন।
প্রয়োজনীয় কুকিনিরাপত্তা ও সাইটের মৌলিক কার্যকারিতার জন্য আবশ্যক।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।