
বরেন্দ্র অঞ্চলে সৌরবিদ্যুতে গভীর নলকূপ চালনা ও পানির সুষম ব্যবহারে কর্মশালা
বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচ ব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে নীতিনির্ধারণী কর্মশালা

বড়দিয়া বালিকা বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা
শিক্ষার উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা, বড়দিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মিঠুকে সংবর্ধনা
পড়তে পারেন

পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
পুঠিয়ায় সার বিতরণ তদারকিতে মাঠে প্রশাসন: নিবিড় পর্যবেক্ষণে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ
পুঠিয়ায় সার বিতরণ তদারকিতে মাঠে প্রশাসন
পড়তে পারেন

মোঃ রবিউল ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো
পুঠিয়া উপজেলায় কৃষকদের মাঝে সরকারি মূল্যে এবং নির্ধারিত বরাদ্দে সার বিতরণ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ডিলার পয়েন্টগুলো থেকে প্রকৃত কৃষকরা সঠিকভাবে সার পাচ্ছেন কিনা তা সরেজমিনে যাচাই করা হচ্ছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ জানান, সার বিতরণ ব্যবস্থায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এ মনিটরিংয়ের প্রধান লক্ষ্য। এর অংশ হিসেবে উপজেলার অনুমোদিত ডিলারদের গুদামে মজুত, দৈনিক সরবরাহ এবং বিতরণ কার্যক্রম নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোনো অসাধু ডিলার যাতে অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত সার অবৈধভাবে মজুত করতে না পারে, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে কিংবা নির্ধারিত সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে না পারে—সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে পুঠিয়ায় সারের বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং কোনো ভোগান্তি ছাড়াই কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার সংগ্রহ করতে পারবেন বলে আশা করছেন এলাকার সাধারণ কৃষকরা।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
গোপালগঞ্জের কনসার্টে ‘শেখ হাসিনা’ স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার
পড়তে পারেন

মোঃ লিটন সিকদারগোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে আয়োজিত একটি কনসার্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আয়োজক হাফিজুর রহমান পিয়ালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কনসার্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে এফএনএফ কনভেনশন হল অ্যান্ড পার্টি সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান পিয়াল নিজেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নোবেলের গান পরিবেশনের আগে কনসার্টস্থলে উপস্থিত কয়েকজন দর্শক শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দেন। বিষয়টি নজরে আসার পর পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে তৎপর হয়। পরে ওই রাতেই কনসার্টের আয়োজক হাফিজুর রহমান পিয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর আয়োজককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর হাফিজুর রহমান পিয়ালকে আদালতে পাঠানো হলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।কনসার্টে স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় উপস্থিত দর্শক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে স্লোগানদাতাদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
পড়তে পারেন

মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
মোঃ লিটন সিকদার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার বাগুডাঙ্গা গ্রামের যুবক জনি (৩০) কাজের আশায় বিদেশে গিয়ে মানবপাচারকারী চক্রের হাতে পড়ে প্রায় চার মাস ধরে থাইল্যান্ডে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতের আঁধারে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে তাকে ফেলে রেখে যায় দালালচক্র—এমন অভিযোগ করেছেন জনি।
দীর্ঘ দুর্ভোগের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতা এবং স্থানীয় কয়েকজনের আর্থিক সহায়তায় গত ৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেছেন তিনি। তবে দেশে ফিরলেও নির্যাতনের শারীরিক ক্ষত ও অসুস্থতার পাশাপাশি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন জনি। বর্তমানে চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন তার।
জনির বাবা ফোরকান খা জানান, কাজ দেওয়ার কথা বলে প্রথমে তার ছেলেকে টেকনাফে নেওয়া হয়। সেখানে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়ার পর মাছ ধরার নৌকায় করে তাকে থাইল্যান্ডে পাচার করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় জনির ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ পরিবারের।
জনির পরিবারের দাবি, প্রায় চার মাস থাইল্যান্ডে থাকার পর তাকে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানেও তিনি নির্যাতনের শিকার হন এবং একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের বুকিত মেরতাজাম এলাকায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
জনিকে দেশে ফেরাতে সহযোগিতা করা আরিফুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গত ৩১ আগস্ট জনির অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তিনি সরাসরি বুকিত মেরতাজামে গিয়ে জনির সঙ্গে দেখা করেন। পরে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জনিকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বাংলাদেশ থেকে টেকনাফ হয়ে থাইল্যান্ড এবং পরে মালয়েশিয়ায় জনিকে পাচারের ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মানবপাচারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরলেও জনির দুর্ভোগ এখনও শেষ হয়নি। বর্তমানে তার প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মানবিক সহায়তা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।



















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।